• ২৭ আষাঢ় ১৪৩৩, বুধবার ১৫ জুলাই ২০২৬ ই-পোর্টাল

Janatar Katha

Banner Add
  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও
  • এছাড়াও
    • উৎসব
    • ব্যবসা
    • স্বাস্থ্য
    • শিক্ষা
    • প্রযুক্তি
    • হেঁসেল

Accident

বিদেশ

ভিয়েতনামে ভয়াবহ নৌকাডুবি! ভারতীয় পর্যটকে ভর্তি নৌকা উল্টে বহু মৃত্যু, আতঙ্কে পরিবার

ভিয়েতনামের ফুকুয়ক দ্বীপের কাছে ভয়াবহ নৌদুর্ঘটনায় প্রাণ হারিয়েছেন একাধিক ভারতীয় পর্যটক। স্থানীয় প্রশাসনের প্রাথমিক তথ্য অনুযায়ী, দুর্ঘটনার সময় পর্যটকবাহী নৌকায় মোট বত্রিশ জন ভারতীয় পর্যটক এবং চারজন নাবিক ছিলেন। প্রবল ঢেউ ও উত্তাল সমুদ্রের মধ্যে নৌকাটি উল্টে যায়। প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত অন্তত পনেরো জনের মৃত্যুর খবর মিলেছে। মৃতের সংখ্যা আরও বাড়তে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে। ঘটনাস্থলে জোরকদমে উদ্ধার অভিযান চলছে।দুর্ঘটনার পর ভিয়েতনামে অবস্থিত ভারতীয় দূতাবাস জানিয়েছে, ফুকুয়ক দ্বীপের কাছে ভারতীয় পর্যটক বহনকারী একটি নৌকা দুর্ঘটনার কবলে পড়েছে। ঘটনার সমস্ত তথ্য সংগ্রহ করা হচ্ছে এবং স্থানীয় প্রশাসনের সঙ্গে নিয়মিত যোগাযোগ রাখা হচ্ছে। দুর্ঘটনায় ক্ষতিগ্রস্তদের পাশে দাঁড়াতে ভারতীয় দূতাবাস দ্রুত বিশেষ নিয়ন্ত্রণকক্ষ চালু করেছে।হো চি মিন শহরে ভারতীয় কনস্যুলেট এবং রাজধানী হ্যানয়েও আলাদা নিয়ন্ত্রণকক্ষ খোলা হয়েছে। দুর্ঘটনায় ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলিকে প্রয়োজনীয় তথ্য ও সহায়তা দেওয়া হচ্ছে বলে জানানো হয়েছে।দুর্ঘটনার পরপরই উদ্ধারকারী দল এবং আশপাশে থাকা একাধিক নৌকা ঘটনাস্থলে পৌঁছে উদ্ধারকাজ শুরু করে। প্রত্যক্ষদর্শীদের দাবি, নৌকার বহু যাত্রী ভেতরে আটকে পড়ায় উদ্ধারকাজে সমস্যা তৈরি হয়। কয়েকজনকে জীবিত উদ্ধার করা সম্ভব হলেও অনেককে আর বাঁচানো যায়নি।উল্লেখ্য, গত বছরও ভিয়েতনামের একটি জনপ্রিয় পর্যটন এলাকায় নৌকাডুবির ঘটনায় বহু মানুষের মৃত্যু হয়েছিল। সেই ঘটনার পর নৌ-নিরাপত্তা নিয়ে প্রশ্ন উঠলেও ফের বড় দুর্ঘটনা ঘটায় নতুন করে উদ্বেগ বাড়ল।

জুলাই ১১, ২০২৬
রাজ্য

ধূলাগড় টোলগেটের কাছে নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে উল্টে গেল মালবোঝাই গাড়ি, অল্পের জন্য বড়সড় দুর্ঘটনা এড়াল জাতীয় সড়ক

হাওড়ার ধূলাগড় টোলপ্লাজার অদূরে জাতীয় সড়কে মঙ্গলবার সকালে এক মালবোঝাই ছোট পণ্যবাহী গাড়ি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে উল্টে যাওয়ায় সাময়িকভাবে চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়। দুর্ঘটনার জেরে কিছু সময়ের জন্য যান চলাচলে বিঘ্ন ঘটলেও দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি সামাল দেয় পুলিশ। এই ঘটনায় কোনো হতাহতের খবর পাওয়া যায়নি, যা স্বস্তির বিষয়।স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, মালবোঝাই গাড়িটি জাতীয় সড়ক ধরে যাওয়ার সময় আচমকাই চালক নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে ফেলেন। এরপর গাড়িটি রাস্তার ডিভাইডারের ধারে উল্টে যায়। দুর্ঘটনার অভিঘাতে গাড়িতে থাকা ধাতব সামগ্রী রাস্তার উপর ছড়িয়ে পড়ে। ফলে ওই অংশে যানবাহন চলাচলে সাময়িক সমস্যা দেখা দেয় এবং আশপাশে কৌতূহলী মানুষের ভিড় জমে যায়।খবর পেয়ে দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছায় পুলিশ। পুলিশকর্মীরা প্রথমেই দুর্ঘটনাস্থল ঘিরে নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করেন এবং যান চলাচল নিয়ন্ত্রণে আনেন। পাশাপাশি রাস্তার উপর ছড়িয়ে থাকা মালপত্র সরিয়ে স্বাভাবিক যান চলাচল পুনরুদ্ধারের কাজ শুরু হয়।প্রাথমিক তদন্তে পুলিশের অনুমান, অতিরিক্ত গতি অথবা ভারসাম্য হারানোর কারণেই দুর্ঘটনাটি ঘটতে পারে। যদিও সঠিক কারণ জানতে পুরো ঘটনার তদন্ত শুরু হয়েছে। দুর্ঘটনাগ্রস্ত গাড়িটিকে উদ্ধারের জন্য ক্রেন আনার ব্যবস্থাও করা হয়।স্থানীয়দের দাবি, ধূলাগড় টোলগেট সংলগ্ন জাতীয় সড়কের এই অংশে প্রায়শই ছোট-বড় দুর্ঘটনা ঘটে। তাই ভবিষ্যতে এ ধরনের ঘটনা এড়াতে যানবাহনের গতি নিয়ন্ত্রণ এবং নিরাপত্তা ব্যবস্থা আরও জোরদার করার দাবি তুলেছেন তাঁরা।পুলিশ জানিয়েছে, দুর্ঘটনায় কেউ আহত হননি এবং দ্রুত পরিস্থিতি স্বাভাবিক করায় বড় ধরনের যানজটও এড়ানো সম্ভব হয়েছে। বর্তমানে ওই রাস্তায় যান চলাচল স্বাভাবিক রয়েছে।

জুন ৩০, ২০২৬
কলকাতা

বিমের সঙ্গে ঝুলছে রক্তমাংস! তারাতলা বিপর্যয়ের ভয়াবহ ছবি কাঁপিয়ে দিল শহর

তারাতলার নির্মীয়মাণ গুদাম ধসের ঘটনায় ঘণ্টার পর ঘণ্টা পেরিয়ে গেলেও এখনও শেষ হয়নি উদ্ধার অভিযান। ধ্বংসস্তূপের নীচে আরও বহু শ্রমিক আটকে থাকতে পারেন বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে। সেই কারণেই সময়ের সঙ্গে পাল্লা দিয়ে উদ্ধারকাজ চালিয়ে যাচ্ছে সেনা, বিপর্যয় মোকাবিলা বাহিনী, দমকল ও পুলিশ।উদ্ধারকারীদের সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়িয়েছে বিশাল লোহার বিম। ধসের পর সেগুলি দুমড়ে-মুচড়ে একের উপর এক চাপা পড়ে রয়েছে। ফলে ধ্বংসস্তূপ সরিয়ে ভিতরে পৌঁছতে যথেষ্ট সময় লাগছে। বিশেষ যন্ত্রের সাহায্যে ভার্টিকাল ড্রিলিং করে বিম কেটে ধাপে ধাপে এগোচ্ছেন উদ্ধারকর্মীরা।এখনও পর্যন্ত একাধিক আহত শ্রমিককে উদ্ধার করে হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। তাঁদের অনেকের অবস্থাই আশঙ্কাজনক বলে জানা যাচ্ছে। ঘটনাস্থলে একাধিক ভারী ক্রেন মোতায়েন করা হয়েছে। উদ্ধারকাজে ব্যবহার করা হচ্ছে অত্যাধুনিক প্রযুক্তিও। ড্রোনের সাহায্যে ধ্বংসস্তূপের ভিতরে আটকে থাকা মানুষের অবস্থান খোঁজার চেষ্টা চলছে।স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, কয়েক হাজার বর্গফুট এলাকা জুড়ে গুদামটি তৈরি হচ্ছিল। দুর্ঘটনার পর নির্মাণের মান এবং ব্যবহৃত সামগ্রীর গুণমান নিয়ে প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে। স্থানীয়দের একাংশের অভিযোগ, নিম্নমানের সামগ্রী ব্যবহার করেই দ্রুত কাজ শেষ করার চেষ্টা করা হয়েছিল। সেই কারণেই এই ভয়াবহ বিপর্যয় ঘটেছে বলে দাবি তাঁদের।ঘটনার পর এলাকায় ব্যাপক উত্তেজনা ছড়িয়েছে। দুর্ঘটনার প্রকৃত কারণ জানতে তদন্ত শুরু হয়েছে। প্রশাসনের তরফে জানানো হয়েছে, উদ্ধার অভিযান সম্পূর্ণ না হওয়া পর্যন্ত সমস্ত সম্ভাব্য ব্যবস্থা নেওয়া হবে। ধ্বংসস্তূপের নীচে কেউ আটকে রয়েছেন কি না, তা নিশ্চিত করতেই আপ্রাণ চেষ্টা চালাচ্ছেন উদ্ধারকারীরা।

জুন ২৪, ২০২৬
কলকাতা

তারাতলা ধসের পর বড় ঝাঁকুনি! রাজ্যজুড়ে নির্মীয়মাণ ইমারতে কাজ বন্ধের নির্দেশ, সামনে এল চাঞ্চল্যকর তথ্য

তারাতলার ভয়াবহ নির্মাণ বিপর্যয়ের পর বড় সিদ্ধান্ত নিল রাজ্য সরকার। আপাতত নির্মীয়মাণ বাণিজ্যিক ইমারতের কাজ বন্ধ রাখার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। আগামী একত্রিশে জুলাই পর্যন্ত সংশ্লিষ্ট নির্মাণ প্রকল্পগুলির স্বাস্থ্যপরীক্ষা ও নকশা যাচাই করা হবে। সবুজ সংকেত মিললেই আবার শুরু হবে কাজ।বুধবার তারাতলার দুর্ঘটনাস্থল পরিদর্শনের পর মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী জানান, সংশ্লিষ্ট দফতরগুলিকে নিয়ে একটি বিশেষ পরিদর্শন দল গঠন করা হবে। এই দল নির্মীয়মাণ ইমারতের নকশা, নির্মাণের মান এবং নিরাপত্তা ব্যবস্থা খতিয়ে দেখবে। কোথাও ত্রুটি ধরা পড়লে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।তারাতলার নির্মীয়মাণ গুদাম ও হিমঘর ধসে পড়ার ঘটনায় ইতিমধ্যেই একাধিক প্রাণহানির খবর সামনে এসেছে। বহু শ্রমিক ধ্বংসস্তূপের নীচে আটকে পড়েন। খবর পাওয়ার পরই উদ্ধারকাজে নামে পুলিশ, দমকল, বিপর্যয় মোকাবিলা বাহিনী এবং সেনাবাহিনী। আধুনিক প্রযুক্তির সাহায্যে ধ্বংসস্তূপের নীচে আটকে থাকা মানুষদের খোঁজে তল্লাশি চালানো হচ্ছে।প্রশাসনিক সূত্রে জানা গিয়েছে, ধসে পড়া নির্মাণের নকশায় ত্রুটি ছিল বলে প্রাথমিক তদন্তে ইঙ্গিত মিলেছে। সেই কারণেই রাজ্যের বিভিন্ন নির্মীয়মাণ বাণিজ্যিক প্রকল্পের নকশা এবং কাঠামোগত নিরাপত্তা নতুন করে পরীক্ষা করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।সরকারি হিসাব অনুযায়ী, দুর্ঘটনায় কয়েকজনের মৃত্যু হয়েছে এবং একাধিক আহতকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। আহতদের দ্রুত চিকিৎসার জন্য বিশেষ ব্যবস্থা করা হয়েছে। উদ্ধার অভিযান এখনও চলছে এবং পরিস্থিতির উপর প্রশাসন কড়া নজর রাখছে।তারাতলার এই মর্মান্তিক ঘটনার পর নির্মাণ নিরাপত্তা নিয়ে নতুন করে প্রশ্ন উঠেছে। তদন্তের রিপোর্ট প্রকাশের পরই স্পষ্ট হবে, এই বিপর্যয়ের নেপথ্যে প্রকৃত কারণ কী।

জুন ২৪, ২০২৬
কলকাতা

চিৎকার, ধুলো আর ধ্বংসস্তূপ! তারাতলায় ভয়াবহ দুর্ঘটনায় কন্ট্রোলরুম খুলল নবান্ন

তারাতলায় নির্মীয়মাণ একটি গোডাউনের ছাদ ধসে ভয়াবহ দুর্ঘটনা ঘটেছে। ঘটনাস্থলে উদ্ধারকাজ জোরকদমে চলছে। ইতিমধ্যেই কয়েকজন শ্রমিককে উদ্ধার করে হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। তবে এখনও বহু মানুষ ধ্বংসস্তূপের নীচে আটকে থাকতে পারেন বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।দুর্ঘটনার খবর ছড়িয়ে পড়তেই প্রশাসন দ্রুত তৎপর হয়। নবান্নের পক্ষ থেকে নিয়ন্ত্রণকক্ষ খোলা হয়েছে। ঘটনাস্থলে পৌঁছেছেন মন্ত্রী ইন্দ্রনীল খাঁ। তিনি জানান, দমকল, পুলিশ ও বিপর্যয় মোকাবিলা বাহিনী উদ্ধারকাজে নেমেছে। প্রয়োজনে আরও বাহিনী মোতায়েন করা হচ্ছে। প্রাথমিক লক্ষ্য হল আটকে থাকা মানুষদের যত দ্রুত সম্ভব নিরাপদে উদ্ধার করা।স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, পরিবহণ দফতরের জন্য একটি গোডাউন নির্মাণের কাজ চলছিল। প্রত্যক্ষদর্শীদের দাবি, দুর্ঘটনার কিছুক্ষণ আগেই কয়েকটি লোহার বিম নড়ে যায় এবং আংশিক ক্ষতিগ্রস্ত হয়। এরপরও কাজ বন্ধ না করে কাঠামো মেরামতের চেষ্টা চলছিল। সেই সময় আচমকাই গোটা ছাদ ও লোহার কাঠামো ভেঙে পড়ে।ঘটনার সময় বহু শ্রমিক ভিতরে কাজ করছিলেন। সেখানে একটি অস্থায়ী অফিসও ছিল বলে জানা গিয়েছে। ফলে ধস নামার সঙ্গে সঙ্গেই অনেকে ধ্বংসস্তূপের নীচে চাপা পড়েন। আহতদের মধ্যে কয়েকজনের অবস্থা গুরুতর বলে হাসপাতাল সূত্রে জানা গিয়েছে।বর্তমানে ক্রেন, গ্যাস কাটার এবং অন্যান্য যন্ত্রপাতির সাহায্যে লোহার বিম কেটে উদ্ধারকাজ চালানো হচ্ছে। স্থানীয় বাসিন্দারাও উদ্ধারকর্মীদের সহায়তা করছেন। ধ্বংসস্তূপ সরানোর কাজ চললেও এখনও বহু মানুষের খোঁজ মেলেনি বলে আশঙ্কা তৈরি হয়েছে।ঘটনার খবর পেয়ে প্রশাসনের উচ্চপদস্থ আধিকারিকরাও ঘটনাস্থলে পৌঁছেছেন। কী কারণে এই দুর্ঘটনা ঘটল, নির্মাণকাজে কোনও গাফিলতি ছিল কি না এবং নিরাপত্তা বিধি মানা হয়েছিল কি না, তা নিয়ে তদন্তের দাবি উঠেছে। তারাতলার এই দুর্ঘটনা ঘিরে গোটা এলাকায় উদ্বেগ ও আতঙ্কের পরিবেশ তৈরি হয়েছে।

জুন ২৪, ২০২৬
দেশ

ধর্মীয় অনুষ্ঠান থেকে ফেরার পথে ভয়াবহ মৃত্যু! মুহূর্তে খাদে তলিয়ে গেল গাড়ি, প্রাণ গেল ৭ জনের

হিমাচলের চাম্বা জেলায় ভয়াবহ পথ দুর্ঘটনায় মৃত্যু হল সাত জনের। বুধবার গভীর রাতে একটি চারচাকা গাড়ি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে গভীর খাদে পড়ে গেলে ঘটনাস্থলেই প্রাণ হারান সকল যাত্রী। মৃতদের মধ্যে রয়েছেন তিন জন মহিলা এবং গাড়ির চালক।পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, মৃতরা সকলেই একই গ্রামের বাসিন্দা। বুধবার রাতে একটি ধর্মীয় অনুষ্ঠানে যোগ দেওয়ার পর তাঁরা বাড়ি ফিরছিলেন। সেই সময় ছাতরুন্ড এলাকার কাছে আচমকাই দুর্ঘটনার কবলে পড়ে তাঁদের গাড়ি।প্রাথমিক তদন্তে জানা গিয়েছে, গাড়িটি হঠাৎ নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে রাস্তার পাশের গভীর খাদে গিয়ে পড়ে। দুর্ঘটনার পর বিকট শব্দ শুনে স্থানীয় বাসিন্দারা ঘটনাস্থলে ছুটে আসেন। তাঁরাই প্রথম উদ্ধারকাজ শুরু করেন এবং পুলিশ ও প্রশাসনকে খবর দেন।খবর পেয়ে দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছয় পুলিশ ও উদ্ধারকারী দল। তবে খাদটি অত্যন্ত গভীর হওয়ায় রাতের অন্ধকারে উদ্ধারকাজ চালাতে বেশ সমস্যার মুখে পড়তে হয়। দীর্ঘ সময়ের চেষ্টার পর একে একে সাতটি দেহ উদ্ধার করা সম্ভব হয়।দুর্ঘটনার অভিঘাতে গাড়িটি সম্পূর্ণ দুমড়ে-মুচড়ে গিয়েছে। উদ্ধার হওয়া দেহগুলি ময়নাতদন্তের জন্য পাঠানো হয়েছে। ঘটনার পর গোটা এলাকায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে।তবে কী কারণে এই ভয়াবহ দুর্ঘটনা ঘটল, তা এখনও স্পষ্ট নয়। গাড়ির যান্ত্রিক ত্রুটি, চালকের নিয়ন্ত্রণ হারানো নাকি অন্য কোনও কারণ এর পিছনে রয়েছে, তা খতিয়ে দেখছে পুলিশ। ইতিমধ্যেই ঘটনার তদন্ত শুরু হয়েছে।একসঙ্গে সাত জনের মৃত্যুতে স্থানীয়দের মধ্যে গভীর শোকের পরিবেশ তৈরি হয়েছে। একটি আনন্দঘন অনুষ্ঠান থেকে ফেরার পথ যে এত বড় ট্র্যাজেডিতে শেষ হবে, তা কেউ কল্পনাও করতে পারেননি।

জুন ১৮, ২০২৬
দেশ

নর্মদায় ভয়াবহ বিপর্যয়! পর্যটকভর্তি প্রমোদতরী ডুবে মৃত্যু, আতঙ্কে দেশ

আনন্দময় ভ্রমণ মুহূর্তে পরিণত হল ভয়াবহ দুর্ঘটনায়। মধ্যপ্রদেশে (Madhya Pradesh) নর্মদা নদীর জলাধারে ডুবে গেল একটি পর্যটকভর্তি প্রমোদতরী। এই ঘটনায় এখনও পর্যন্ত অন্তত ছয় জনের মৃত্যুর খবর পাওয়া গেছে। নৌকাটিতে প্রায় তিরিশ জন পর্যটক ছিলেন বলে জানা গিয়েছে। এর মধ্যে পনেরো জনকে জীবিত উদ্ধার করা সম্ভব হয়েছে। বাকি কয়েকজনের খোঁজে এখনও জোর তল্লাশি চলছে। মৃতের সংখ্যা আরও বাড়তে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে (Madhya Pradesh)।প্রাথমিক তদন্তে জানা গিয়েছে, নৌকাটি যখন জলাধারের মাঝামাঝি পৌঁছেছিল, তখন হঠাৎ আবহাওয়া খারাপ হয়ে যায়। প্রবল ঝড়ো হাওয়া শুরু হয়। সেই সময় ভারসাম্য হারিয়ে নৌকাটি একপাশে কাত হয়ে জলের মধ্যে ডুবে যায়। খবর পেয়ে দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছয় উদ্ধারকারী দল। ডুবুরিরা জল থেকে একে একে যাত্রীদের উদ্ধার করতে শুরু করেন। আহতদের স্থানীয় হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে (Madhya Pradesh)।উদ্ধারকাজ তদারকি করছেন জব্বলপুর জেলার প্রশাসনিক আধিকারিকরা। প্রথমে স্থানীয় দল উদ্ধারকাজ শুরু করলেও পরে রাজ্যের বিপর্যয় মোকাবিলা বাহিনীও ঘটনাস্থলে পৌঁছে যায়। রাত নেমে এলেও বাকি নিখোঁজদের খোঁজে অভিযান চালানো হচ্ছে। এই দুর্ঘটনায় গোটা এলাকায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে।

এপ্রিল ৩০, ২০২৬
দেশ

আবার ট্রেন লাইনচ্যুত! এবার বন্দে ভারত, অল্পের জন্য বড় বিপদ এড়াল যাত্রীরা

ফের ট্রেন লাইনচ্যুত হওয়ার ঘটনায় চাঞ্চল্য ছড়াল। এবার দুর্ঘটনার মুখে পড়ল বন্দে ভারত ট্রেন। পুনে রেলওয়ে স্টেশনে ঢোকার সময় ট্রেনের একটি কামরা লাইনচ্যুত হয়ে যায় বলে জানা গিয়েছে।এই ঘটনায় এখনও পর্যন্ত কোনও যাত্রীর মৃত্যু বা আহত হওয়ার খবর পাওয়া যায়নি। ফলে বড়সড় বিপদ থেকে অল্পের জন্য রক্ষা পেয়েছেন যাত্রীরা।রেল সূত্রে জানা গিয়েছে, ট্রেনটি মুম্বইয়ের ছত্রপতি শিবাজি মহারাজ টার্মিনাস থেকে সোলাপুরের দিকে যাচ্ছিল। পুনে স্টেশনের একটি অংশে তখন কাজ চলছিল। সেই সময় স্টেশনে ঢোকার মুখেই একটি কামরা লাইনচ্যুত হয়ে যায়।ঘটনার পরপরই রেল কর্তৃপক্ষ দ্রুত ব্যবস্থা নেয়। দুর্ঘটনাস্থল পরিদর্শন করা হয় এবং আতঙ্কিত যাত্রীদের সাহায্য করা হয়। যাত্রীদের যাতে কোনও অসুবিধা না হয়, তার জন্য দ্রুত বিকল্প ব্যবস্থাও করা হয়েছে। অন্য ট্রেনে তাঁদের গন্তব্যে পৌঁছে দেওয়ার ব্যবস্থা করা হয়েছে।স্টেশনে অতিরিক্ত রেলকর্মী মোতায়েন করা হয়েছে যাতে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে থাকে। এই ঘটনার কারণ খতিয়ে দেখতে তদন্ত শুরু হয়েছে। চূড়ান্ত রিপোর্ট হাতে এলে তবেই জানা যাবে ঠিক কী কারণে এই দুর্ঘটনা ঘটল।

এপ্রিল ২৮, ২০২৬
রাজ্য

বাইককে ধাক্কা, দুই যুবকের মৃত্যু—খবর শুনে হার্ট অ্যাটাকে ঠাকুমার মৃত্যু

বাংলা নববর্ষের সকালেই জয়নগরে ঘটে গেল মর্মান্তিক পথ দুর্ঘটনা। এই ঘটনায় দুই যুবকের মৃত্যু হয়েছে। আর সেই খবর শুনে হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে মারা গেলেন এক বৃদ্ধা। আনন্দের দিনে এই ঘটনায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে এলাকায়।জানা গেছে, প্রতি বছরের মতো এ বছরও নববর্ষ উপলক্ষে মলিনা মণ্ডলের বাড়িতে পুজো ও অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়েছিল। সেই জন্যই বাজার করতে বেরিয়েছিলেন সুভাষ মণ্ডল ও বিকি মণ্ডল। তারা বাইকে করে জয়নগরের ব্যাজরা এলাকায় যান। সেখানে রাস্তার ধারে বাইক দাঁড় করিয়ে কথা বলছিলেন দুজন। সেই সময় দ্রুতগতিতে আসা একটি সবজিবোঝাই চারচাকা গাড়ি তাদের ধাক্কা মারে।ধাক্কায় দুজনই ছিটকে পড়েন। দুর্ঘটনার পরেই গাড়িটি সেখান থেকে পালিয়ে যায়। আশপাশের মানুষ দ্রুত ছুটে এসে আহতদের উদ্ধার করে পদ্মেরহাট গ্রামীণ হাসপাতালে নিয়ে যান। কিন্তু চিকিৎসকেরা জানান, হাসপাতালে আনার আগেই তাদের মৃত্যু হয়েছে।ঘটনার খবর পরিবারের কাছে পৌঁছতেই শোকের ছায়া নেমে আসে। বিকি মণ্ডলের বয়স ছিল ২২ বছর। তার মৃত্যুর খবর শুনে তার ঠাকুমা মনিলা মণ্ডল ভেঙে পড়েন। কিছুক্ষণের মধ্যেই তিনি অসুস্থ হয়ে পড়েন এবং হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে তাঁরও মৃত্যু হয়।একই দিনে পরপর তিনটি মৃত্যুর ঘটনায় হতবাক হয়ে পড়েছেন পরিবারের সদস্যরা এবং এলাকার মানুষজন। পুলিশ মৃতদেহ দুটি ময়নাতদন্তের জন্য পাঠিয়েছে। পাশাপাশি পালিয়ে যাওয়া গাড়িটির খোঁজে তল্লাশি শুরু হয়েছে। এলাকার বিভিন্ন জায়গার নজরদারি চিত্র খতিয়ে দেখা হচ্ছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।

এপ্রিল ১৫, ২০২৬
রাজ্য

অল্পের জন্য রক্ষা অধীর! এসকর্ট গাড়িতে ট্রাকের ধাক্কা, রিপোর্ট চাইল কমিশন

কান্দি থেকে বহরমপুর ফেরার পথে বড় দুর্ঘটনার মুখে পড়ল কংগ্রেস প্রার্থী অধীররঞ্জন চৌধুরীর কনভয়। একটি ট্রাক এসে তাঁর এসকর্ট গাড়িতে ধাক্কা মারে। অল্পের জন্য রক্ষা পান অধীর চৌধুরী। দুর্ঘটনায় তাঁর নিরাপত্তার দায়িত্বে থাকা কয়েকজন জওয়ান আহত হয়েছেন। ঘটনার খবর পেয়ে সঙ্গে সঙ্গেই রিপোর্ট তলব করেছে নির্বাচন কমিশন।বুধবার কান্দিতে নির্বাচনী প্রচার সেরে বহরমপুর ফিরছিলেন অধীর চৌধুরী। সেই সময় হঠাৎ একটি ট্রাক নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে তাঁর এসকর্ট গাড়িতে ধাক্কা মারে। ধাক্কার ফলে গাড়ির পিছনের অংশ ভেঙে যায়। যে গাড়িতে ধাক্কা লাগে, তার ঠিক পিছনেই ছিল অধীরের গাড়ি। তাই অল্পের জন্য বড় দুর্ঘটনা এড়ানো গিয়েছে বলে জানা যাচ্ছে।দুর্ঘটনার পর কংগ্রেস কর্মীরা অভিযোগ করেছেন, ঘটনাস্থলে পুলিশ সময়মতো পৌঁছায়নি। তাঁদের দাবি, প্রায় কুড়ি মিনিট কেটে যাওয়ার পরও থানার কোনও আধিকারিক সেখানে আসেননি। এই ঘটনায় পুলিশের ভূমিকা নিয়েও প্রশ্ন তুলছে কংগ্রেস।ঘটনার পর নির্বাচন কমিশন দ্রুত রিপোর্ট চেয়ে পাঠিয়েছে। কীভাবে এমন দুর্ঘটনা ঘটল, নিরাপত্তা ব্যবস্থায় কোনও গাফিলতি ছিল কি না, সব দিক খতিয়ে দেখা হচ্ছে। ভোটের আগে এই ঘটনায় স্বাভাবিকভাবেই উদ্বেগ বেড়েছে রাজনৈতিক মহলে।

এপ্রিল ০৮, ২০২৬
রাজ্য

স্কুলে যাওয়ার পথে ভয়াবহ দুর্ঘটনা! রক্তাক্ত ১৫ পড়ুয়া, আশঙ্কাজনক এক শিশু

মুর্শিদাবাদে স্কুলে যাওয়ার পথে ভয়াবহ পথ দুর্ঘটনায় জখম হল ১৫ জন পড়ুয়া। তাদের মধ্যে ১১ জনকে গুরুতর অবস্থায় মুর্শিদাবাদ মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। এক পড়ুয়ার অবস্থা অত্যন্ত আশঙ্কাজনক হওয়ায় তাকে নিবিড় পরিচর্যা বিভাগে রাখা হয়েছে। আহতরা নার্সারি থেকে ষষ্ঠ শ্রেণি পর্যন্ত পড়াশোনা করে বলে জানা গিয়েছে।মঙ্গলবার সকাল প্রায় নটা নাগাদ মুর্শিদাবাদ ও নদিয়ার সীমান্তবর্তী পলাশি ফুলবাগান মোড় এলাকায় এই দুর্ঘটনা ঘটে। প্রতিদিনের মতো এদিনও তেঘরিয়া-নাজিরপুর এলাকা থেকে একটি ভাড়া করা গাড়িতে করে প্রায় ১৫ জন পড়ুয়া পলাশির একটি বেসরকারি স্কুলে যাচ্ছিল। পথেই আচমকা দুর্ঘটনার মুখে পড়ে তাদের গাড়ি।স্কুল সূত্রে জানা গিয়েছে, ওই গাড়িটি পলাশি ফুলবাগান মোড়ে পৌঁছতেই রাস্তার মাঝে দাঁড়িয়ে থাকা একটি ডাম্পারের সঙ্গে সজোরে ধাক্কা খায়। স্কুলের এক শিক্ষক জানান, নির্বাচনের কারণে ওই এলাকায় পুলিশ ও কেন্দ্রীয় বাহিনীর নাকা তল্লাশি চলছিল। তল্লাশির জন্য ডাম্পারটি রাস্তার মাঝখানে দাঁড় করানো হয়েছিল।হঠাৎ করে রাস্তার মাঝখানে ডাম্পার দাঁড়িয়ে থাকায় স্কুল ভ্যানের চালক সময়মতো গাড়ি থামাতে পারেননি। ফলে নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে সরাসরি ডাম্পারের পিছনে ধাক্কা মারে ভ্যানটি। এই ঘটনায় মুহূর্তে চাঞ্চল্য ছড়িয়ে পড়ে এলাকায়।দুর্ঘটনার পর আহত পড়ুয়াদের দ্রুত উদ্ধার করে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। ঘটনার জেরে এলাকায় উত্তেজনা তৈরি হয়েছে। কীভাবে এই দুর্ঘটনা ঘটল এবং নাকা তল্লাশির সময় নিরাপত্তা ব্যবস্থা কতটা ছিল, তা নিয়ে উঠছে প্রশ্ন।

মার্চ ৩১, ২০২৬
দেশ

ভোরের ভয়াবহ আগুন! চলন্ত বাসে দাউ দাউ করে জ্বলল আগুন, জীবন্ত পুড়ে মৃত্যু ১২ জনের

অন্ধ্র প্রদেশে ভয়াবহ সড়ক দুর্ঘটনায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে। একটি যাত্রীবাহী বাস ও লরির মুখোমুখি সংঘর্ষে অন্তত ১২ জনের মৃত্যু হয়েছে। এই দুর্ঘটনা ঘটেছে আজ ভোরবেলায় মার্কাপুরম এলাকায়। সংঘর্ষের পর মুহূর্তের মধ্যেই বাসটিতে আগুন ধরে যায় এবং খুব দ্রুত সেই আগুন গোটা বাসে ছড়িয়ে পড়ে। ফলে বহু যাত্রী বেরোবার সুযোগই পাননি।পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, বাসটি নির্মল থেকে নেলোরের দিকে যাচ্ছিল। ভোর প্রায় ৬টা নাগাদ উল্টো দিক থেকে আসা একটি লরির সঙ্গে বাসটির ধাক্কা লাগে। সংঘর্ষ এতটাই ভয়াবহ ছিল যে সঙ্গে সঙ্গেই বাসটিতে আগুন ধরে যায়। স্থানীয় মানুষ ও দমকলবাহিনী দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে।প্রথমে প্রশাসনের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছিল, ৮ জনের মৃত্যু হয়েছে। পরে মৃতের সংখ্যা বেড়ে ১২-তে দাঁড়ায়। এখনও পর্যন্ত প্রায় ২০ জন আহত যাত্রীকে উদ্ধার করা হয়েছে। তাঁদের নিকটবর্তী হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। আহতদের মধ্যে অনেকের অবস্থা গুরুতর, ফলে মৃতের সংখ্যা আরও বাড়তে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।এই মর্মান্তিক ঘটনায় শোকপ্রকাশ করেছেন অন্ধ্র প্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী এন চন্দ্রবাবু নাইডু। তিনি মৃতদের পরিবারের প্রতি সমবেদনা জানিয়েছেন এবং আহতদের দ্রুত সুস্থতার কামনা করেছেন। পাশাপাশি তিনি প্রশাসনের উচ্চপদস্থ আধিকারিকদের সঙ্গে কথা বলে পুরো ঘটনার রিপোর্ট চেয়েছেন। আহতদের চিকিৎসায় যাতে কোনও রকম গাফিলতি না হয়, সেই নির্দেশও দেওয়া হয়েছে।রাজ্যের তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রী নারা লোকেশও এই ঘটনায় গভীর শোক প্রকাশ করেছেন। তিনি জানিয়েছেন, এই দুর্ঘটনা অত্যন্ত বেদনাদায়ক এবং সরকার ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলির পাশে রয়েছে।দুর্ঘটনার সঠিক কারণ এখনও পরিষ্কার নয়। তবে প্রাথমিকভাবে পুলিশের অনুমান, লরির অতিরিক্ত গতির কারণেই এই সংঘর্ষ ঘটতে পারে। ইতিমধ্যেই ঘটনার তদন্ত শুরু হয়েছে।

মার্চ ২৬, ২০২৬
বিদেশ

পদ্মায় মৃত্যুফাঁদ! নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে সোজা জলে বাস, এখনও নিখোঁজ বহু যাত্রী

বাংলাদেশের ফরিদপুরে পদ্মা নদীতে এক ভয়ংকর দুর্ঘটনায় চাঞ্চল্য ছড়িয়ে পড়েছে। দৌলতদিয়া ফেরিঘাটে ভেসেলে ওঠার সময় একটি যাত্রীবাহী বাস হঠাৎ নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে নদীতে উলটে পড়ে যায়। বাসটিতে প্রায় ৪০ জন যাত্রী ছিলেন বলে জানা গেছে। এই ঘটনায় বহু মানুষের মৃত্যুর আশঙ্কা করা হচ্ছে।পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, বুধবার বিকেল পাঁচটার কিছু পরে বাসটি দৌলতদিয়ার তিন নম্বর ঘাটে পৌঁছায়। পদ্মা নদী পারাপারের জন্য সেটি ভেসেলের অপেক্ষায় ছিল। প্রায় দশ থেকে পনেরো মিনিটের মধ্যে ভেসেলটি ঘাটে আসে। সেই সময় ভেসেলে ওঠার সময়ই বাসটির নিয়ন্ত্রণ নষ্ট হয়ে যায় এবং সেটি সোজা নদীতে পড়ে যায়।প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, ঘটনাটি এত দ্রুত ঘটে যে কেউ কিছু বুঝে ওঠার আগেই বাসটি জলের তলায় চলে যায়। সঙ্গে সঙ্গে এলাকায় হইচই শুরু হয়। খবর পেয়ে দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছায় পুলিশ, দমকল এবং উদ্ধারকারী দল। নদীতে ডুবুরি নামিয়ে জোরকদমে উদ্ধার অভিযান শুরু করা হয়েছে।দৌলতদিয়া ফেরিঘাটের এক আধিকারিক মহম্মদ মনির হোসেন বলেন, তাঁদের চোখের সামনে বাসটি নদীতে উলটে পড়ে যায় এবং কিছু করার সুযোগই পাননি। তিনি জানান, বাসে নারী ও শিশু সহ অন্তত ৪০ জন যাত্রী ছিলেন। কয়েকজন কোনওভাবে প্রাণে বাঁচতে পারলেও অনেকেই বাসের ভিতরে আটকে পড়েছেন বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।এখনও পর্যন্ত কতজনকে উদ্ধার করা গেছে, তা স্পষ্ট নয়। তবে উদ্ধারকাজ জোরদারভাবে চলছে এবং প্রশাসন পরিস্থিতির উপর নজর রাখছে। এই মর্মান্তিক ঘটনায় এলাকায় আতঙ্ক এবং শোকের ছায়া নেমে এসেছে।

মার্চ ২৫, ২০২৬
বিদেশ

ভয়াবহ দুর্ঘটনায় অল্পের জন্য রক্ষা! মলদ্বীপে উল্টে গেল স্পিডবোটে গৌতম সিংহানিয়া

মলদ্বীপে ছুটি কাটাতে গিয়ে ভয়াবহ দুর্ঘটনার মুখে পড়লেন রেমন্ড গ্রুপের চেয়ারম্যান ও ম্যানেজিং ডিরেক্টর গৌতম সিংহানিয়া। স্পিডবোটে ভ্রমণের সময় সেটি আচমকা উল্টে যায়। কোনওমতে প্রাণে বাঁচলেও এই ঘটনায় চোট পান তিনি। পরে সেখান থেকে মুম্বই ফিরে এসেছেন।স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, ওই স্পিডবোটে মোট সাতজন পর্যটক ছিলেন, যার মধ্যে পাঁচজন ভারতীয়। শুক্রবার গভীর রাতে, প্রায় ১টা ১৫ মিনিট নাগাদ এই দুর্ঘটনা ঘটে। ভি ফেলিধু দ্বীপের কাছে বোটটি উল্টে যায়।দুর্ঘটনায় বোটে থাকা এক ভারতীয় পর্যটক, হরি সিং এখনও নিখোঁজ রয়েছেন। বাকি যাত্রীরাও কমবেশি আহত হয়েছেন বলে জানা গিয়েছে। নিখোঁজদের খোঁজে তল্লাশি চালানো হচ্ছে।ঘটনাটি কেয়োধু এলাকার দক্ষিণ-পশ্চিমে প্রায় দুই নটিক্যাল মাইল দূরে ঘটে। কাছেই রয়েছে ফুলিধু নামের একটি ছোট দ্বীপ, যা তার সুন্দর প্রাকৃতিক পরিবেশ এবং সমুদ্র ভ্রমণের জন্য পরিচিত। এই অঞ্চল ডাইভিংয়ের জন্যও জনপ্রিয়।এই দুর্ঘটনার পর পর্যটন নিরাপত্তা নিয়ে নতুন করে প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে।

মার্চ ২১, ২০২৬
রাজ্য

দোলের আনন্দ মুহূর্তে শোক! গঙ্গায় তলিয়ে নিখোঁজ চার তরুণ-তরুণী

দোলের আনন্দ শেষ হতেই নেমে এল ভয়াবহ শোক। পাঁচ-ছয় জন বন্ধু মিলে গিয়েছিলেন গঙ্গায় স্নান করতে। কিন্তু সাঁতার কেটে ঘাট থেকে কিছুটা দূরে যেতেই চার জন তলিয়ে যান। এখনও পর্যন্ত তাঁদের কোনও খোঁজ মেলেনি। ঘটনাটি ঘটেছে ভাটপাড়ার বলরাম সরকার গঙ্গার ঘাটে। সন্ধ্যা পর্যন্ত ডুবুরি নামিয়ে তল্লাশি চালানো হলেও কাউকে উদ্ধার করা যায়নি। আজ ফের অনুসন্ধান চালানো হবে বলে জানিয়েছে প্রশাসন।পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, দোল খেলার পর দুই যুবক ও এক যুবতী গঙ্গায় স্নান করতে নেমেছিলেন। তিন জনই জলে তলিয়ে যেতে থাকেন। সেই সময় ঘাটে বসে ছিলেন সৌরভ সরকার নামে এক যুবক। তাঁদের ডুবে যেতে দেখে তিনি বাঁচাতে গঙ্গায় ঝাঁপ দেন। কিন্তু তিন জনের কাউকেই উদ্ধার করতে পারেননি। কিছুক্ষণের মধ্যেই তিনিও জলে তলিয়ে যান।নিখোঁজ দুই যুবকের নাম সৈকত নন্দী এবং সৌরভ নন্দী। তাঁদের বাড়ি ভাটপাড়া পৌরসভার চৌত্রিশ নম্বর ওয়ার্ডের মাদরাল গভর্মেন্ট কলোনি এলাকায়। বছর কুড়ির যুবতী দীপশিখা দাস রজক কলকাতার বাসিন্দা বলে জানা গিয়েছে। তাঁদের বাঁচাতে ঝাঁপ দেওয়া সৌরভ সরকার ভাটপাড়া পৌরসভার দুই নম্বর ওয়ার্ডের বাসিন্দা।ঘটনার পর থেকে কান্নায় ভেঙে পড়েছেন সৌরভের মা। তিনি বলেন, তাঁর ছেলে মাঝেমধ্যে বিকেলে ঘাটে গিয়ে বসত। সেদিনও গিয়েছিল। তিন জনকে ডুবে যেতে দেখে বাঁচাতে ঝাঁপ দেয়। এখন পুলিশ জানাচ্ছে, কাউকেই খুঁজে পাওয়া যাচ্ছে না। খবর পেয়ে ভাটপাড়া থানার বিশাল পুলিশবাহিনী ঘটনাস্থলে পৌঁছয়। এই ঘটনায় পুলিশের গাফিলতির অভিযোগ তুলেছেন ভাটপাড়ার বিধায়ক পবন সিং।

মার্চ ০৪, ২০২৬
কলকাতা

বাসস্টপে ধাক্কা, তারপর ডিভাইডারে সজোরে আঘাত—মত্ত চালকের তাণ্ডব

বেপরোয়া গতির জেরে ভয়াবহ পথ দুর্ঘটনা ঘটল নিউটাউনে। শুক্রবার, ১৪ ফেব্রুয়ারি সকালে নিউটাউন-এর ইকো পার্ক-এর দুই নম্বর গেটের কাছে প্রথমে একটি গাড়ি বাসস্টপে ধাক্কা মারে। প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, এরপর গাড়িটি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে আরও কিছুটা এগিয়ে সিগন্যালের কাছে ডিভাইডারে সজোরে ধাক্কা মারে। তারপরই গাড়িটি সম্পূর্ণ উল্টে যায়।রাস্তায় উল্টে পড়ে থাকতে দেখা যায় গাড়িটিকে। সামনের অংশ বেশ খানিকটা দুমড়ে-মুচড়ে যায়। দুর্ঘটনার খবর পেয়ে দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছয় পুলিশ। উদ্ধারকাজ শুরু করা হয়। গাড়িতে থাকা তিনজনকে গুরুতর আহত অবস্থায় হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। তাঁদের অবস্থা আশঙ্কাজনক বলে জানা গিয়েছে।পুলিশ সূত্রে খবর, গাড়িতে থাকা তিনজনের মধ্যে যিনি চালাচ্ছিলেন, তিনি মদ্যপ অবস্থায় ছিলেন বলে প্রাথমিক তদন্তে অনুমান। দ্রুতগতিতে গাড়ি চালাতে গিয়ে নিয়ন্ত্রণ হারিয়েই এই দুর্ঘটনা ঘটে।গোটা ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ। দুর্ঘটনার সঠিক কারণ খতিয়ে দেখা হচ্ছে। নিউটাউনের ব্যস্ত রাস্তায় এ ধরনের ঘটনায় স্বাভাবিকভাবেই আতঙ্ক ছড়িয়েছে এলাকায়।

ফেব্রুয়ারি ১৪, ২০২৬
কলকাতা

খোলা লিফটের গর্তে পড়ে মৃত্যু! তিন বছরের শিশুর মর্মান্তিক পরিণতি কলকাতায়

নির্মীয়মান বহুতলের একটি খোলা লিফটের গর্ত থেকে উদ্ধার হল তিন বছরের শিশুর নিথর দেহ। মর্মান্তিক ঘটনাটি ঘটেছে এন্টালি থানার অন্তর্গত ৪/৫১ কনভেন্ট লেন এলাকায়। বুধবার রাতে ওই এলাকার একটি নির্মীয়মান বহুতলের লিফটের গর্ত থেকে শিশুটির দেহ উদ্ধার হয়। ঘটনাকে ঘিরে গোটা এলাকায় নেমে এসেছে শোক ও ক্ষোভ।পরিবারের অভিযোগ, নির্মাণস্থলে কোনও নিরাপত্তার ব্যবস্থা ছিল না। লিফটের গর্ত সম্পূর্ণ খোলা অবস্থায় পড়ে ছিল, তার চারপাশে কোনও ঘেরাটোপ বা সতর্কতামূলক ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি। সেই কারণেই এই দুর্ঘটনা বলে মনে করছেন এলাকাবাসী। প্রশ্ন উঠছে, কীভাবে এমন একটি বিপজ্জনক জায়গা অরক্ষিত অবস্থায় রাখা হয়েছিল।সন্তানকে হারিয়ে ভেঙে পড়েছেন শিশুটির বাবা-মা। তাঁরা এই মৃত্যুর বিচার চাইছেন। পরিবারের আরও অভিযোগ, ঘটনার পর প্রোমোটারের কাছে বিচার চাইতে গেলে উল্টে শিশুটির বাবাকে হুমকি দেওয়া হয়। বলা হয়, থানায় বেশি কিছু বললে বিপদ হতে পারে। এমনকী শিশুর মাকেই দোষারোপ করা হয় বলে অভিযোগ।এলাকাবাসীদের বক্তব্য, লিফটের গর্ত ঘিরে রাখা থাকলে এই মর্মান্তিক ঘটনা ঘটত না। তাঁদের অভিযোগ, অধিক মুনাফার আশায় নির্মীয়মান বহুতলে কোনও নিরাপত্তারক্ষী রাখা হয়নি। নিয়ম মানা হয়নি নির্মাণের ক্ষেত্রেও। তিন বছরের শিশুর মৃত্যুর পর বড়সড় প্রশ্নের মুখে পড়েছে শহরের প্রোমোটার রাজ।এখনও পর্যন্ত এই ঘটনায় কোনও লিখিত অভিযোগ নেয়নি পুলিশ বলে জানা গিয়েছে। যদিও এলাকার মানুষের ক্ষোভ ক্রমশ বাড়ছে। শিশুর মৃত্যুর দায় কার, তা নিয়ে জোরদার তদন্তের দাবি উঠেছে।

জানুয়ারি ২২, ২০২৬
রাজ্য

খাওয়ার থালা হাতে নামতে গিয়েই ঘটে ঘটল.... সুন্দরবনের পর্যটকের মর্মান্তিক পরিণতিতে কেঁপে উঠল রাজ্য

শীতের মরশুমে সুন্দরবনে পর্যটকদের ভিড়ের মধ্যেই ঘটে গেল মর্মান্তিক দুর্ঘটনা। রাতের অন্ধকারে লঞ্চ থেকে মাতলা নদীতে পড়ে নিখোঁজ হয়ে গেলেন এক পর্যটক। তাঁর খোঁজে রবিবার সকাল থেকে চলছে তল্লাশি। নিখোঁজ যুবকের নাম সুমন্ত পাল। বয়স ২৬ বছর। তিনি দক্ষিণ কলকাতার গড়িয়ার বাসিন্দা।পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, গত ১৬ জানুয়ারি গড়িয়া থেকে ২২ জনের একটি পর্যটক দল সুন্দরবনের কৈখালিতে বেড়াতে গিয়েছিলেন। সেখান থেকে তাঁরা সুন্দরবনের বিভিন্ন এলাকায় ঘুরে দেখেন। ওই দলেরই সদস্য ছিলেন সুমন্ত। দুদিন জঙ্গল ভ্রমণের পর শনিবার রাতে তাঁরা আবার কৈখালিতে ফিরে আসেন। মাতলা নদীর উপর একটি লঞ্চেই তাঁদের থাকা ও খাওয়ার ব্যবস্থা ছিল।শনিবার রাতে ওই লঞ্চেই ঘটে যায় দুর্ঘটনাটি। জানা গিয়েছে, রাত সাড়ে ১১টা নাগাদ খাওয়াদাওয়ার সময় সুমন্ত হাতে ভাতের থালা নিয়ে লঞ্চের সিঁড়ি দিয়ে উপর থেকে নীচে নামছিলেন। সেই সময়ই তিনি ভারসাম্য হারিয়ে সিঁড়ি থেকে সরাসরি মাতলা নদীতে পড়ে যান। মুহূর্তের মধ্যেই নদীর স্রোতে তলিয়ে যান তিনি।ঘটনার পর লঞ্চের চালক ও সঙ্গে থাকা কয়েক জন জলে নেমে তাঁকে খোঁজার চেষ্টা করেন। কিন্তু মাতলা নদীতে স্রোত প্রবল থাকায় তাঁকে আর পাওয়া যায়নি। এরপর বনদপ্তর ও কুলতলি থানায় খবর দেওয়া হয়। রবিবার সকাল থেকে নদীতে তল্লাশি শুরু হলেও দুপুর পর্যন্ত নিখোঁজ যুবকের কোনও খোঁজ মেলেনি। তাঁর বেঁচে থাকার সম্ভাবনা নিয়ে উদ্বেগ বাড়ছে।লঞ্চের চালক শুভেন্দু সরদার জানিয়েছেন, রাতে খাবার নিয়ে সিঁড়ি দিয়ে নামার সময় শরীরের ভারসাম্য রাখতে না পেরেই ওই যুবক নদীতে পড়ে যান। পর্যটক দলের সদস্য জয় সাহা বলেন, তাঁদের সকলের বাড়িই গড়িয়ায়। ২২ জন বন্ধু মিলে সুন্দরবন ঘুরতে এসেছিলেন। এমন ভয়াবহ দুর্ঘটনা ঘটবে, তা কেউ কল্পনাও করতে পারেননি।এই ঘটনা নিছক দুর্ঘটনা নাকি এর পিছনে অন্য কোনও কারণ রয়েছে, তা খতিয়ে দেখছে পুলিশ। লঞ্চে থাকা অন্যান্যদের জেরা করা হচ্ছে। নিখোঁজ যুবকের পরিবারের কাছেও ইতিমধ্যেই দুঃসংবাদ পাঠানো হয়েছে।

জানুয়ারি ১৮, ২০২৬
রাজ্য

টাকা তোলার অভিযোগ, পুলিশের পিছনে ধাওয়া! ভয়াবহ দুর্ঘটনায় প্রাণ গেল তিন জনের

পিছনে পুলিশের গাড়ি দেখে আরও গতি বাড়িয়ে দিয়েছিল লরি। নিয়ন্ত্রণ হারিয়েই সামনে থাকা টোটোতে সজোরে ধাক্কা। ঘটনাস্থলেই মৃত্যু হল টোটোর তিন যাত্রীর। মর্মান্তিক এই দুর্ঘটনা ঘটেছে বীরভূমের নলহাটিতে, রানিগঞ্জ-মোড়গ্রাম ১৪ নম্বর জাতীয় সড়কে পালোয়ান বাবা মাজারের কাছে।স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, রবিবার সকালে রামপুরহাটের দিক থেকে নলহাটির দিকে যাচ্ছিল পেঁয়াজ বোঝাই একটি লরি। পালোয়ান বাবা মাজারের কাছে নলহাটি থানার পুলিশ প্রহরারত ছিল। অভিযোগ, পুলিশ লরিটিকে থামার নির্দেশ দেয়। কিন্তু চালক গাড়ি না থামিয়ে উল্টে আরও জোরে গাড়ি চালাতে শুরু করেন। পুলিশের একটি বাইক লরিটিকে ধাওয়া করে।পুলিশের হাত থেকে বাঁচতে গিয়ে অতিরিক্ত গতিতে লরি চালাতে থাকেন চালক। ঠিক সেই সময় সামনে একটি টোটো চলছিল। টোটোতে চালক ছাড়াও আরও তিন জন যাত্রী ছিলেন। দ্রুতগতির লরিটি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে সামনে থেকে আসা ওই টোটোতে ধাক্কা মারে। তীব্র ধাক্কায় দুমড়ে-মুচড়ে যায় টোটোটি। ঘটনাস্থলেই মৃত্যু হয় টোটোর তিন যাত্রীর।দুর্ঘটনার পর আহতদের উদ্ধার করে রামপুরহাট মেডিক্যাল কলেজ ও হাসপাতালে পাঠানো হয়। খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পৌঁছয় নলহাটি থানার পুলিশ। কিন্তু পুলিশ পৌঁছতেই উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে এলাকায়। মৃতদের দেহ জাতীয় সড়কের উপর রেখে পথ অবরোধ করে বিক্ষোভ দেখাতে শুরু করেন স্থানীয় বাসিন্দারা।এলাকার বাসিন্দাদের অভিযোগ, দীর্ঘদিন ধরেই ওই এলাকায় পুলিশের একাংশ পণ্যবাহী লরি থামিয়ে টাকা তোলে। সেই ভয়েই অনেক সময় লরিচালকরা বেপরোয়া ভাবে গাড়ি চালান। আর তারই পরিণতি হল এই ভয়াবহ দুর্ঘটনা। পরে পুলিশ ও প্রশাসনের আশ্বাসে অবরোধ উঠে যায় এবং পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আসে।

জানুয়ারি ০৪, ২০২৬
দেশ

এসি কামরায় আগুনের লেলিহান শিখা, মাঝরাতে ট্রেন থামিয়ে প্রাণ বাঁচানোর লড়াই

চলন্ত দূরপাল্লার ট্রেনের এসি কামরায় ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ড। পুড়ে ছাই হয়ে গেল পরপর দুটি কোচ। এই ঘটনায় মৃত্যু হয়েছে এক যাত্রীর। সোমবার ভোরে এই চাঞ্চল্যকর ঘটনার কথা জানায় রেলমন্ত্রক। জানা গিয়েছে, ঝাড়খণ্ডের টাটানগর থেকে কেরলের এর্নাকুলামগামী এক্সপ্রেস ট্রেনটি বড় দুর্ঘটনার মুখে পড়ে অন্ধ্র প্রদেশের আনাকাপালি জেলার কাছে।ঘটনাটি ঘটে গভীর রাতে। তখন রাত প্রায় ১টা। নিজের গতিতে ছুটে চলছিল এর্নাকুলামগামী ট্রেনটি। হঠাৎই চালকের নজরে আসে একটি কোচ থেকে আগুনের শিখা উঠছে এবং তা পাশের কোচের দিকে ছড়িয়ে পড়ছে। পরিস্থিতির গুরুত্ব বুঝে সঙ্গে সঙ্গে ট্রেন থামিয়ে দেন চালক। দ্রুত যাত্রীদের নামিয়ে আনা হয় এবং আগুন লাগা কোচগুলি থেকে উদ্ধার শুরু হয়।রেল আধিকারিকদের মতে, আগুন লাগা কোচে মোট ৮২ জন যাত্রী ছিলেন। পাশের কোচে ছিলেন আরও ৭৬ জন। প্রায় সকলকেই নিরাপদে উদ্ধার করা সম্ভব হলেও একজন যাত্রীকে বাঁচানো যায়নি। আগুনে ঝলসে মৃত্যু হয় চন্দ্রশেখর সুন্দরম নামে এক যাত্রীর।রেল সূত্রে জানা গিয়েছে, প্রথমে ট্রেনের বি১ এসি কোচে আগুন লাগে। সেখান থেকে দ্রুত তা বি২ কোচে ছড়িয়ে পড়ে। আগুন যাতে গোটা ট্রেনে ছড়িয়ে না পড়ে, সে কারণে এম১ কোচ থেকে আগুন লাগা অংশ আলাদা করে দেওয়া হয়। এই সিদ্ধান্তের ফলে বড়সড় বিপর্যয় এড়ানো সম্ভব হয়েছে বলে মনে করছেন আধিকারিকরা।ঘটনার খবর পেয়ে দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছয় দমকল বাহিনী। চারটি দমকল ইঞ্জিনের তৎপরতায় আগুন নিয়ন্ত্রণে আনা হয়। তবে ততক্ষণে দুটি এসি কোচ সম্পূর্ণভাবে পুড়ে ছাই হয়ে যায়।এই অগ্নিকাণ্ড কীভাবে ঘটল, তা এখনও স্পষ্ট নয়। রেলমন্ত্রক জানিয়েছে, ঘটনার তদন্ত শুরু হয়েছে। আগুন লাগার প্রকৃত কারণ খতিয়ে দেখা হচ্ছে।

ডিসেম্বর ২৯, ২০২৫
  • ‹
  • 1
  • 2
  • 3
  • 4
  • 5
  • 6
  • 7
  • 8
  • ›

ট্রেন্ডিং

বিদেশ

সমুদ্রের নিচে আমেরিকার গোপন হামলা! ইরানের ঘাঁটি উড়িয়ে দিল নতুন মারণাস্ত্র, ভাইরাল ভিডিও ঘিরে তোলপাড়

মধ্যপ্রাচ্যে উত্তেজনা আরও বাড়ল। এবার সমুদ্রপথে নতুন অস্ত্র ব্যবহার করে ইরানের গুরুত্বপূর্ণ নৌঘাঁটিতে হামলার দাবি করেছে আমেরিকা। মার্কিন সামরিক বাহিনীর দাবি, তাদের ইতিহাসে এই প্রথম কোনও যুদ্ধে সামুদ্রিক ড্রোন ব্যবহার করা হয়েছে। এই অভিযানে ইরানের একটি ডুবোজাহাজ এবং জাহাজ রক্ষণাবেক্ষণ কেন্দ্র ধ্বংস করা হয়েছে বলেও দাবি করা হয়েছে। হামলার একটি ভিডিও সমাজমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছে। তবে সেই ভিডিওর সত্যতা স্বাধীনভাবে যাচাই করা সম্ভব হয়নি।মার্কিন সেন্ট্রাল কমান্ড সমাজমাধ্যমে জানিয়েছে, রবিবার মানববিহীন সামুদ্রিক ড্রোন ব্যবহার করে ইরানের বন্দর আব্বাসে অভিযান চালানো হয়। তাদের দাবি, তিনটি সামুদ্রিক ড্রোন দিয়ে ইরানের কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ নৌঘাঁটিতে সফল হামলা চালানো হয়েছে। এই অভিযানের ফলে হরমুজ প্রণালী এলাকায় ইরানের সামরিক সক্ষমতায় বড় ধাক্কা লেগেছে বলেও দাবি করেছে আমেরিকা।প্রকাশিত ভিডিওতে দেখা যায়, একটি ছোট মানববিহীন জলযান দ্রুত গতিতে জলের উপর দিয়ে এগিয়ে গিয়ে একটি স্থাপনার সঙ্গে ধাক্কা মারে। তার পরেই প্রবল বিস্ফোরণ ঘটে এবং আগুনের বিশাল গোলা আকাশে ছড়িয়ে পড়ে। মার্কিন দাবি, ওই বিস্ফোরণে জাহাজ রক্ষণাবেক্ষণ কেন্দ্রের বড় অংশ ধ্বংস হয়ে যায়।এই হামলার আগে থেকেই হরমুজ প্রণালীকে ঘিরে পরিস্থিতি উত্তপ্ত ছিল। আমেরিকার অভিযোগ, ইরান একাধিক বাণিজ্যিক জাহাজে হামলা চালাচ্ছে। সম্প্রতি একটি মালবাহী জাহাজেও হামলার ঘটনা সামনে এসেছে। অন্যদিকে মার্কিন বাহিনীও টানা কয়েক দিন ধরে ইরানের বিভিন্ন সামরিক লক্ষ্যবস্তুতে হামলা চালানোর দাবি করেছে।মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প আগেই ঘোষণা করেছিলেন, হরমুজ প্রণালীতে ইরানি জাহাজের বিরুদ্ধে আবারও কড়া পদক্ষেপ নেওয়া হবে। পাশাপাশি ওই জলপথ ব্যবহারকারী জাহাজের জন্য নতুন শুল্ক আরোপের কথাও জানান তিনি। এর পাল্টা জবাবে ইরান বাহরিন, জর্ডান এবং সংযুক্ত আরব আমিরশাহির একাধিক জাহাজকে লক্ষ্য করে হামলা চালিয়েছে বলে দাবি করা হয়েছে। ফলে মধ্যপ্রাচ্যের সংঘাত আরও জটিল হয়ে উঠেছে এবং আন্তর্জাতিক মহলেও উদ্বেগ বাড়ছে।

জুলাই ১৪, ২০২৬
দেশ

ইরানের হামলায় মৃত্যু ভারতীয় নাবিকের! আগুনে জ্বলল তেলবাহী জাহাজ, বাড়ছে যুদ্ধের উত্তাপ

যত দিন যাচ্ছে, ততই জটিল হচ্ছে মধ্যপ্রাচ্যের পরিস্থিতি। আমেরিকা ও ইরানের মধ্যে সংঘাত আরও তীব্র আকার নিচ্ছে। এর মধ্যেই হরমুজ প্রণালীর কাছে সংযুক্ত আরব আমিরশাহির দুটি তেলবাহী জাহাজে ক্ষেপণাস্ত্র হামলার ঘটনা সামনে এসেছে। এই হামলায় এক ভারতীয় নাবিকের মৃত্যু হয়েছে। আহত হয়েছেন আরও আটজন। তাঁদের মধ্যে ছয়জন ভারতীয় এবং দুজন ইউক্রেনের নাগরিক। শেষ পাওয়া খবর অনুযায়ী, আহতদের মধ্যে চারজনের অবস্থা আশঙ্কাজনক।জানা গিয়েছে, ওমানের জলসীমায় হরমুজ প্রণালীর দক্ষিণ অংশ দিয়ে যাওয়ার সময় মোমবাসা এবং আল বাহিয়াহ নামে দুটি তেলবাহী জাহাজকে লক্ষ্য করে ক্ষেপণাস্ত্র ছোড়া হয়। নিহত ভারতীয় নাবিক মোমবাসা জাহাজে কর্মরত ছিলেন। হামলার পর দুই জাহাজেই আগুন লাগে। পরে সেই আগুন নিয়ন্ত্রণে আনা হয়। ওমানে অবস্থিত ভারতীয় দূতাবাস এবং ভারতের বিদেশ মন্ত্রক পুরো ঘটনার উপর নজর রাখছে।ঘটনার পর কড়া প্রতিক্রিয়া জানিয়েছে সংযুক্ত আরব আমিরশাহি। তাদের দাবি, এই হামলা আন্তর্জাতিক আইনের গুরুতর লঙ্ঘন এবং আঞ্চলিক নিরাপত্তার জন্য বড় হুমকি। দেশের সার্বভৌমত্ব ও নিরাপত্তা রক্ষায় প্রয়োজনীয় সব পদক্ষেপ নেওয়া হবে বলেও জানানো হয়েছে।অন্যদিকে, ইরানের ইসলামিক রেভলিউশনারি গার্ড কর্পস দাবি করেছে, ওই দুটি জাহাজ তাদের সতর্কবার্তা অমান্য করেছিল। তাদের অভিযোগ, জাহাজগুলি নেভিগেশন ব্যবস্থা বন্ধ রেখে নিষিদ্ধ পথ ব্যবহার করার চেষ্টা করছিল। সেই কারণেই হামলা চালানো হয়েছে বলে দাবি করেছে তেহরান। একই সঙ্গে তাদের অভিযোগ, আমেরিকা বাণিজ্যিক জাহাজগুলিকে ভুল পথে চলাচলে উৎসাহ দিচ্ছে, যার ফলে পরিস্থিতি আরও জটিল হচ্ছে।এদিকে আমেরিকাও টানা সামরিক অভিযান চালিয়ে যাচ্ছে। মার্কিন সেন্ট্রাল কমান্ড জানিয়েছে, ইরানের উপকূলীয় নজরদারি ব্যবস্থা, ড্রোন ঘাঁটি এবং ক্ষেপণাস্ত্র পরিকাঠামো লক্ষ্য করে হামলা চালানো হয়েছে। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প দাবি করেছেন, ইরানের সামরিক সক্ষমতা দুর্বল করতেই এই অভিযান চালানো হচ্ছে। পাশাপাশি হরমুজ প্রণালীতে চলাচলকারী জাহাজের উপর নতুন কর আরোপের কথাও জানিয়েছে আমেরিকা। ফলে মধ্যপ্রাচ্যের এই সংঘাত আরও বড় আকার নিতে পারে বলেই আশঙ্কা বাড়ছে।

জুলাই ১৪, ২০২৬
দেশ

অনশনে সোনম, উদ্বেগে ‘থ্রি ইডিয়টস’-এর অভিনেতা! কী এমন বললেন ওমি বৈদ্য?

কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধানের ইস্তফার দাবিতে দিল্লির যন্তর মন্তরে আন্দোলন চালিয়ে যাচ্ছে ককরোচ জনতা পার্টি। নিট-সহ একাধিক পরীক্ষায় প্রশ্নফাঁসের অভিযোগ তুলে শিক্ষা ব্যবস্থার সংস্কারের দাবিও জানিয়েছে তারা। এই আন্দোলনের অংশ হিসেবেই অনির্দিষ্টকালের অনশনে বসেছেন সমাজকর্মী ও গবেষক সোনম ওয়াংচুক। দীর্ঘ অনশনের জেরে তাঁর শারীরিক অবস্থার অবনতি হওয়ায় উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন থ্রি ইডিয়টস ছবির অভিনেতা ওমি বৈদ্য।সম্প্রতি সোনম ওয়াংচুকের সঙ্গে দেখা করেন ওমি বৈদ্য। পরে সমাজমাধ্যমে একটি ভিডিও বার্তায় তিনি জানান, সোনমের শারীরিক অবস্থা নিয়ে তিনি গভীরভাবে চিন্তিত। তাঁর কথায়, দীর্ঘ অনশনের কারণে সোনমের যেন কোনও অঘটন না ঘটে, সেটাই তিনি চান।ভিডিও বার্তায় ওমি বৈদ্য সকলকে সোনম ওয়াংচুকের আন্দোলনের উদ্দেশ্য সম্পর্কে জানার আবেদন জানান। তাঁর দাবি, দেশের শিক্ষা ব্যবস্থা, লাদাখের স্বায়ত্তশাসন এবং পরিবেশ রক্ষার মতো গুরুত্বপূর্ণ বিষয় নিয়ে আন্দোলন করছেন সোনম। এই বিষয়গুলি সম্পর্কে মানুষের আরও সচেতন হওয়া প্রয়োজন।ককরোচ জনতা পার্টির দাবি, অনশন শুরুর পর থেকে সোনম ওয়াংচুকের ওজন প্রায় আট কেজি কমে গিয়েছে। রক্তে শর্করার মাত্রাও কমে গেছে বলে জানা গিয়েছে। তবুও তিনি নিজের অবস্থান থেকে সরে আসেননি।ভিডিও বার্তায় আবেগঘন সুরে ওমি বৈদ্য বলেন, আমি চাই না ফুনসুখ ওয়াংড়ু মারা যান। উল্লেখ্য, থ্রি ইডিয়টস ছবির ফুনসুখ ওয়াংড়ু চরিত্রটি বাস্তবের সোনম ওয়াংচুককে অনুপ্রেরণা করেই তৈরি হয়েছিল। অভিনেতা আরও বলেন, আপনি তাঁর সঙ্গে একমত না-ও হতে পারেন, কিন্তু তাঁর মতো একজন অনুপ্রেরণাদায়ক মানুষকে হারানো উচিত নয়।শেষে তিনি সকলকে সমাজ ও দেশের গুরুত্বপূর্ণ বিষয় নিয়ে সচেতন হওয়ার আহ্বান জানান। পাশাপাশি থ্রি ইডিয়টস-এর জনপ্রিয় সংলাপের ঢঙে নিজের বক্তব্য শেষ করেন ওমি বৈদ্য।

জুলাই ১৪, ২০২৬
রাজ্য

সুখবর লাখো মানুষের জন্য! আয়ুষ্মানে নাম না থাকলেও মিলবে বিনামূল্যে চিকিৎসা, সামনে এল নতুন পরিকল্পনা

রাজ্যে আয়ুষ্মান ভারত প্রকল্পে আবেদন প্রক্রিয়া শুরু হওয়ার পর থেকেই বহু মানুষ নাম নথিভুক্ত করতে শুরু করেছেন। তবে এই প্রকল্পের সুবিধা সবাই পাবেন না। নির্দিষ্ট কিছু শর্তের ভিত্তিতে আবেদন গ্রহণ করা হচ্ছে। ফলে অনেকেই এই প্রকল্পের বাইরে থেকে যাচ্ছেন। তাঁদের জন্যই নতুন স্বাস্থ্য বিমা প্রকল্প চালুর কথা জানিয়েছে রাজ্য সরকার। মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী ঘোষণা করেছেন, খুব শীঘ্রই চালু হবে মুখ্যমন্ত্রী স্বাস্থ্য বিমা প্রকল্প। এই প্রকল্পেও পাঁচ লক্ষ টাকা পর্যন্ত নগদহীন চিকিৎসার সুবিধা দেওয়ার পরিকল্পনা রয়েছে।সরকারি সূত্রে জানা গিয়েছে, যাঁরা আয়ুষ্মান ভারত প্রকল্পের আওতায় আসবেন না, তাঁরাই মূলত মুখ্যমন্ত্রী স্বাস্থ্য বিমা প্রকল্পের সুবিধা পাবেন। আয়ুষ্মান ভারতের নির্দিষ্ট যোগ্যতার তালিকায় যাঁদের নাম নেই, যাঁদের পাকা বাড়ি রয়েছে অথবা নির্দিষ্ট শ্রমভিত্তিক পেশার সঙ্গে যুক্ত নন, তাঁদের অনেকেই এই প্রকল্পের সুবিধা থেকে বঞ্চিত হতে পারেন।তবে মুখ্যমন্ত্রী স্বাস্থ্য বিমা প্রকল্পে কীভাবে আবেদন করতে হবে, সেই বিষয়ে এখনও চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত হয়নি। স্বাস্থ্যমন্ত্রী জানিয়েছেন, আবেদন প্রক্রিয়ার রূপরেখা এখনও তৈরি হচ্ছে। আগে যাঁদের স্বাস্থ্যসাথী প্রকল্পে নাম ছিল, তাঁদের তথ্য সরাসরি নতুন প্রকল্পে যুক্ত করা হবে কি না, নাকি নতুন করে আবেদন করতে হবে, তা এখনও নির্ধারিত হয়নি।সরকারের তরফে জানানো হয়েছে, বিষয়টি নিয়ে আলোচনা চলছে। খুব শীঘ্রই আবেদন পদ্ধতি, যোগ্যতার শর্ত এবং প্রয়োজনীয় নথি সম্পর্কে বিস্তারিত ঘোষণা করা হবে। ফলে যাঁরা আয়ুষ্মান ভারতের সুবিধা পাবেন না, তাঁদের আপাতত সরকারি ঘোষণার জন্য অপেক্ষা করার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।

জুলাই ১৪, ২০২৬
খেলার দুনিয়া

বিশ্বকাপের আগে বড় চমক! ইংল্যান্ড ম্যাচে মেসিদের বিশেষ অস্ত্রে সায়, তোলপাড় ফুটবল বিশ্ব

বিশ্বকাপের শুরু থেকেই আর্জেন্টিনাকে ঘিরে নানা আলোচনা চলছে। এবার সেমিফাইনালের আগে নতুন করে সেই বিতর্ক আরও জোরালো হয়েছে। জানা গিয়েছে, ইংল্যান্ডের বিরুদ্ধে ম্যাচে নিজেদের সৌভাগ্যের গাঢ় নীল জার্সি পরার অনুমতি চেয়েছিল আর্জেন্টিনা। সেই আবেদন মঞ্জুর করেছে ফিফা। ফলে বুধবারের গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচে পরিচিত নীল-সাদা জার্সির বদলে গাঢ় নীল জার্সিতেই মাঠে নামতে পারে লিওনেল মেসিদের দল।এই সিদ্ধান্ত ঘিরে ফুটবল মহলে নতুন করে চর্চা শুরু হয়েছে। কারণ, ইংল্যান্ডের বিরুদ্ধে বিশ্বকাপের গুরুত্বপূর্ণ নকআউট ম্যাচে গাঢ় নীল জার্সি পরে খেলতে নেমে অতীতে একাধিকবার জয় পেয়েছে আর্জেন্টিনা। সেই কারণেই এই জার্সিকে সৌভাগ্যের প্রতীক বলে মনে করেন অনেক সমর্থক ও ফুটবলপ্রেমী।উনিশশো ছিয়াশি সালের বিশ্বকাপে দিয়েগো মারাদোনার নেতৃত্বে ইংল্যান্ডকে হারানোর সময়ও আর্জেন্টিনার গায়ে ছিল গাঢ় নীল জার্সি। পরে উনিশশো আটানব্বই সালের বিশ্বকাপেও একই রঙের জার্সি পরে ইংল্যান্ডকে হারিয়েছিল তারা। অন্যদিকে, দুই হাজার দুই সালের বিশ্বকাপে নীল-সাদা জার্সি পরে মাঠে নেমে ইংল্যান্ডের কাছে হেরে যেতে হয়েছিল আর্জেন্টিনাকে।এই কারণেই সেমিফাইনালের আগে আবার সেই গাঢ় নীল জার্সি পরার আবেদন জানায় আর্জেন্টিনা। অনুমতি মেলায় অনেকেই মনে করছেন, এটি দলের আত্মবিশ্বাস বাড়াতে বড় ভূমিকা নিতে পারে। যদিও ম্যাচের ফল শেষ পর্যন্ত নির্ভর করবে মাঠের পারফরম্যান্সের উপরই।আর্জেন্টিনার ফুটবল সংস্কৃতিতে সৌভাগ্যের প্রতীক হিসেবে বিশেষ জার্সি বা নির্দিষ্ট রীতিনীতি মানার প্রচলন রয়েছে। এই বিশ্বাসকে তারা কাবালা নামে চেনে। সেই বিশ্বাস থেকেই এবারও গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচে গাঢ় নীল জার্সি বেছে নেওয়া হয়েছে বলে মনে করা হচ্ছে।বিশ্বকাপে ইংল্যান্ড ও আর্জেন্টিনা এর আগে পাঁচবার মুখোমুখি হয়েছে। তার মধ্যে তিনটি ছিল নকআউট ম্যাচ। এবার চতুর্থ নকআউট লড়াইয়ে আবারও মুখোমুখি দুই ফুটবল শক্তি। এখন দেখার, ইতিহাসের সৌভাগ্য নাকি মাঠের লড়াই শেষ পর্যন্ত কোনটি জয় এনে দেয় মেসিদের।

জুলাই ১৪, ২০২৬
রাজ্য

বনদফতরের চাকরিতে বড় বদল! মুখ্যমন্ত্রীর এক ঘোষণাতেই বদলে গেল নিয়োগের নিয়ম

বনদফতরের নিয়োগ প্রক্রিয়ায় বড় পরিবর্তনের ঘোষণা করলেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। তিনি জানিয়েছেন, এবার থেকে বনদফতরের নিয়োগ হবে পুলিশ নিয়োগ পর্ষদের মাধ্যমে। এই সিদ্ধান্তের ফলে নিয়োগ প্রক্রিয়ায় স্বচ্ছতা বাড়বে বলেই মনে করছে প্রশাসনের একাংশ। অতীতে বনদফতরের নিয়োগ নিয়ে ওঠা দুর্নীতির অভিযোগের পর এই ঘোষণা যথেষ্ট তাৎপর্যপূর্ণ বলে মনে করা হচ্ছে।মঙ্গলবার সল্টলেকের বনবিতানে অরণ্য উৎসবের উদ্বোধনে এসে মুখ্যমন্ত্রী বলেন, বনদফতরের কর্মীরা অত্যন্ত ঝুঁকি নিয়ে কাজ করেন। কিন্তু দীর্ঘদিন ধরে কর্মীর অভাব এবং পরিকাঠামোর ঘাটতি রয়েছে। এই পরিস্থিতির দ্রুত পরিবর্তন করা হবে। তিনি বনমন্ত্রী মনোজ ওরাওঁকে নির্দেশ দেন, কোথায় কত শূন্যপদ রয়েছে এবং কী কী পরিকাঠামোর প্রয়োজন, তার বিস্তারিত তালিকা তৈরি করে মুখ্য সচিবের কাছে জমা দিতে। সেই তালিকার ভিত্তিতেই নতুন নিয়োগের প্রক্রিয়া শুরু হবে।মুখ্যমন্ত্রী স্পষ্ট করে জানান, বনদফতরের সমস্ত নতুন নিয়োগ পুলিশ নিয়োগ পর্ষদের মাধ্যমে করা হবে। তাঁর দাবি, এতে নিয়োগ প্রক্রিয়ায় স্বচ্ছতা বজায় থাকবে এবং যোগ্য প্রার্থীরাই সুযোগ পাবেন।উল্লেখ্য, তৃণমূল সরকারের আমলে বন সহায়ক পদে নিয়োগ নিয়ে ব্যাপক বিতর্ক তৈরি হয়েছিল। প্রায় দুই হাজার শূন্যপদে নিয়োগের ক্ষেত্রে অস্বচ্ছতার অভিযোগ ওঠে। পরে কলকাতা হাই কোর্ট পুনরায় সাক্ষাৎকার নেওয়ার নির্দেশ দেয়। সেই ঘটনার পর থেকেই বনদফতরের নিয়োগ নিয়ে প্রশ্ন উঠতে থাকে।অনুষ্ঠান থেকে আগের সরকারেরও কড়া সমালোচনা করেন মুখ্যমন্ত্রী। তাঁর অভিযোগ, বন ও জঙ্গলের উন্নয়নে কোনও কাজ করা হয়নি। বাঁকুড়া, পুরুলিয়া ও ঝাড়গ্রামের মতো বনাঞ্চল আজ নানা সমস্যায় জর্জরিত। আকাশপথে সেই এলাকাগুলি দেখলে পরিস্থিতি আরও স্পষ্ট বোঝা যায় বলেও মন্তব্য করেন তিনি।অরণ্য সপ্তাহ উপলক্ষে রাজ্যজুড়ে সাত কোটি পঞ্চাশ লক্ষ গাছ লাগানোর লক্ষ্যও ঘোষণা করেছেন মুখ্যমন্ত্রী। পঞ্চায়েত সদস্যদের এক হাজার করে এবং বিধায়কদের এক লক্ষ করে গাছ লাগানোর লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে বলে তিনি জানান।

জুলাই ১৪, ২০২৬
রাজ্য

বঙ্গোপসাগরে ফের ট্রলার বিপর্যয়! মৃত্যুর মুখ থেকে কীভাবে ফিরলেন ১৩ মৎস্যজীবী?

ফের বঙ্গোপসাগরে ট্রলার দুর্ঘটনা ঘিরে আতঙ্ক ছড়াল উপকূল জুড়ে। তবে এবার বড় বিপদ থেকেও অলৌকিকভাবে প্রাণে বেঁচে গেলেন ১৩ জন মৎস্যজীবী। মাঝসমুদ্রে ট্রলার ডুবে গেলেও পাশ দিয়ে যাওয়া অন্য একটি মাছ ধরার ট্রলারের তৎপরতায় সকলকে নিরাপদে উদ্ধার করা সম্ভব হয়েছে। এই ঘটনায় স্বস্তি ফিরলেও কয়েক দিন আগের ভয়াবহ ট্রলার দুর্ঘটনার স্মৃতি আবারও তাজা হয়ে উঠেছে।স্থানীয় ও প্রশাসন সূত্রে জানা গিয়েছে, কাকদ্বীপের বাসিন্দা লক্ষ্মীনারায়ণ দাসের এফবি সিদ্ধিবিনায়ক নামে একটি ট্রলার ১৩ জন মৎস্যজীবীকে নিয়ে গভীর সমুদ্রে মাছ ধরতে গিয়েছিল। সোমবার রাতে মাছ ধরে ফেরার পথে বকখালি উপকূল থেকে প্রায় ৩০ কিলোমিটার দূরে আচমকা আবহাওয়া খারাপ হয়ে যায়। প্রবল ঢেউয়ের আঘাতে ট্রলারের নিচের অংশ ফেটে জল ঢুকতে শুরু করে। অল্প সময়ের মধ্যেই ট্রলারটি ডুবতে থাকে।বিপদ বুঝে মৎস্যজীবীরা চিৎকার করে সাহায্য চান। সেই সময় কাছাকাছি থাকা অন্য একটি মাছ ধরার ট্রলার দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে যায়। উদ্ধারকারীদের তৎপরতায় ডুবন্ত ট্রলার থেকে ১৩ জন মৎস্যজীবীকেই নিরাপদে তুলে আনা সম্ভব হয়। যদিও এফবি সিদ্ধিবিনায়ক ট্রলারটি সমুদ্রের জলে তলিয়ে যায়। এখনও সেটিকে উদ্ধার করা সম্ভব হয়নি।উদ্ধার হওয়া মৎস্যজীবীদের প্রাথমিক চিকিৎসার ব্যবস্থা করা হয়েছে। এরপর তাঁদের উপকূলে ফিরিয়ে আনা হচ্ছে। সকলেই নিরাপদে ফিরে আসায় পরিবার ও প্রশাসন স্বস্তির নিঃশ্বাস ফেলেছে। তবে পরপর ট্রলার দুর্ঘটনায় উদ্বেগ বাড়ছে মৎস্যজীবীদের মধ্যে।উল্লেখ্য, কয়েক দিন আগেই বঙ্গোপসাগরে মা কালী নামে একটি ট্রলার নিখোঁজ হয়ে যায়। শঙ্করপুর বন্দর থেকে ১৫ জন মৎস্যজীবীকে নিয়ে রওনা হওয়ার পর ট্রলারটির সঙ্গে যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে যায়। পরে বকখালি উপকূলের কাছে উল্টে থাকা অবস্থায় সেটি উদ্ধার হয়। সেই ঘটনায় ৯ জনের দেহ উদ্ধার হলেও এখনও ৬ জন নিখোঁজ রয়েছেন। নতুন এই দুর্ঘটনার পর সমুদ্রে নিরাপত্তা ব্যবস্থা নিয়ে আবারও প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে।

জুলাই ১৪, ২০২৬
কলকাতা

ফের বড় ধাক্কা সুপ্রতিম সরকারের! রাতারাতি সরিয়ে দিল রাজ্য, পুলিশে ব্যাপক রদবদল

রাজ্য পুলিশে ফের বড় রদবদল করল সরকার। মঙ্গলবার জারি হওয়া নির্দেশে একাধিক আইপিএস এবং রাজ্য পুলিশ পরিষেবার আধিকারিকের দায়িত্ব বদল করা হয়েছে। এই রদবদলের সবচেয়ে উল্লেখযোগ্য সিদ্ধান্ত হল প্রাক্তন কলকাতা পুলিশ কমিশনার সুপ্রতিম সরকারকে অপরাধ তদন্ত দফতরের অতিরিক্ত মহানির্দেশকের পদ থেকে সরিয়ে দেওয়া। তাঁকে এবার টেলিকম শাখার অতিরিক্ত মহানির্দেশকের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। অপরাধ তদন্ত দফতরের নতুন প্রধান হিসেবে দায়িত্ব পেলেন নটরাজন রমেশবাবু।একইসঙ্গে আর্থিক দুর্নীতির তদন্তে গুরুত্বপূর্ণ পদে আনা হয়েছে সৎ ও দক্ষ আধিকারিক হিসেবে পরিচিত কে জয়রামনকে। তাঁকে অর্থনৈতিক অপরাধ দমন শাখার দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। বিধাননগরের পুলিশ কমিশনার পদ থেকেও সরানো হয়েছে ত্রিপুরারি অথর্ভকে। তাঁর জায়গায় নতুন পুলিশ কমিশনার হিসেবে দায়িত্ব নিলেন অমিত রাঠোর।বারুইপুরের সাম্প্রতিক ঘটনাকে কেন্দ্র করেও প্রশাসন কড়া পদক্ষেপ নিয়েছে। সেখানে কর্মরত দুই অতিরিক্ত পুলিশ সুপারের মধ্যে পিনাকি দত্তকে সরিয়ে তাঁর জায়গায় অতীশ বিশ্বাসকে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। ঘটনাস্থলে পুলিশ পৌঁছাতে দেরি হওয়া নিয়ে প্রশ্ন ওঠার পরই এই বদলির সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে বলে প্রশাসনিক মহলে আলোচনা শুরু হয়েছে।উল্লেখ্য, বিধানসভা নির্বাচন ঘোষণার পর নির্বাচন কমিশনের নির্দেশে সুপ্রতিম সরকারকে কলকাতা পুলিশ কমিশনারের পদ থেকে সরানো হয়েছিল। পরে তাঁকে অপরাধ তদন্ত দফতরের অতিরিক্ত মহানির্দেশক করা হয়। এছাড়া ভিনরাজ্যে নির্বাচন পর্যবেক্ষকের দায়িত্বও পালন করেছিলেন তিনি।এবার তাঁকে টেলিকম শাখার দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। এই শাখা রাজ্য পুলিশের যোগাযোগ ব্যবস্থা ও ওয়্যারলেস নেটওয়ার্ক পরিচালনা করলেও প্রশাসনিক গুরুত্বের বিচারে এটি তুলনামূলকভাবে কম গুরুত্বপূর্ণ পদ বলে পুলিশ মহলের একাংশের মত।

জুলাই ১৪, ২০২৬

Ads

You May Like

Gallery

265-year-old "Mukhopadhyay House" in Bhavanandpur, Kalnar, played vermilion on Dasami during Durga Puja
BJP candidate Locket Chatterjee campaigned on the banks of the Ganges from Chandannagar Ranighat to Triveni Ghat wishing New Year.
A living depiction of history with a touch of color, everyone is enthralled by the initiative of the Eastern Railway
Sucharita Biswas actress and model on Durga Puja
Lord Kalabau came up in palanquin; Navapatrika walked towards the mandap - the puja started
On Sunday, the 'Hilsa festival' is celebrated in the city with great joy.
Check out who has joined Mamata's new cabinet
Take a look at the list of recipients at the Bangabibhushan award ceremony
If you are grassroots, you will get ration for free. Lakshmi Bhandar, Kanyashree, Swastha Sathi, Krishakbandhu, Oikyashree, Sabujsathi — you will get all.

Categories

  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও

Company

  • About Us
  • Advertise
  • Privacy
  • Terms of Use
  • Contact Us
Copyright © 2026 Janatar Katha News Portal